• ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তালুকদার খালেকের ইশতেহারে ৪০ দফা, স্মার্ট খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি

ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ৬, ২০২৩, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
তালুকদার খালেকের ইশতেহারে ৪০ দফা, স্মার্ট খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি
সংবাদটি শেয়ার করুন....

খুলনাকে পরিকল্পিত পরিচ্ছন্ন স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে ৪০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক।

মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আগামী ১২ জুন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে আমি নতুন প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার নিয়ে আমার নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছি। কেসিসি’কে ঘিরে আমার নতুন চিন্তা-ভাবনা ও পরিকল্পনা আপনারা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করি।

নৌকা প্রতীকের মেয়রপ্রার্থীর ঘোষিত ৪০ দফা ইশতেহারের প্রথমেই রয়েছে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব খুলনা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি নির্মাণ এবং নগর পরিকল্পনায় সবুজকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। সবুজ খুলনা গড়ে তুলতে এলাকাভিত্তিক পরিকল্পিত বনায়ন করা হবে। বাড়িভিত্তিক সবুজায়ন উৎসাহিত করা হবে। নগর পরিকল্পনায় পরিবেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। নগরায়ন হবে পরিবেশবান্ধব। জমি, বায়ু, শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া হবে।

ইশতেহারে দ্বিতীয় দফায় নগরীতে পার্ক-উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী। বলেন, বর্তমানে নগরীতে বিদ্যমান পার্ক ও উদ্যানগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া উন্মুক্ত সুবিধাজনক স্থানে একটি বড় পার্ক, লেডিস পার্ক ও দুটি শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং নদী সংলগ্ন স্থানে ভ্রমণের জন্য ‘ওয়াকওয়ে’ নির্মাণ করা হবে।

নগরীর দক্ষিণপ্রান্তে উপযুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বনায়ন সৃষ্টি করে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটানো হবে। এছাড়া ময়ুর নদীসহ নগরীর ২২টি খাল খনন ও সংস্কার করে এর পাশে বনায়নের মাধ্যমে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।

ইশতেহার ঘোষণার আগে গত পাঁচ বছরে বাস্তবায়ন করা উন্নয়ন প্রকল্পের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে দেশের সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে-যা প্রায় ৩ বছর স্থায়ী ছিল। সে কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যথাসময়ে হাতে নেওয়া বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে নগরবাসীকে হয়তো কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে চলমান উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হলে খুলনা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি স্বাস্থ্যকর নগরীতে পরিণত হবে-ইনশাআল্লাহ।

এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক ও এস এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জাহান কল্পনা, কেসিসি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা এম ডি এ বাবুল রানা, এডভোকেট সুজিত কুমার অধিকারী, সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, আশরাফুল ইসলাম, শহিদুল হক মিন্টু, মুন্সী মাহাবুবুল আলম সোহাগ, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, রুনু রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।