• ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলে তেল ও খাদ্য রফতানি বন্ধের আহ্বান ইরানের

ডেস্ক
প্রকাশিত নভেম্বর ২, ২০২৩, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ইসরায়েলে তেল ও খাদ্য রফতানি বন্ধের আহ্বান ইরানের
সংবাদটি শেয়ার করুন....

গাজা উপত্যকায় বোমাবর্ষণ থামাতে ইসরাইলে তেল ও খাদ্য রফতানি বন্ধ করার জন্য মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এই আহ্বান জানান।

তেহরানে একদল শিক্ষার্থীর উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এ আহ্বান জানিয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। খবর রয়টার্সের

খামেনি বলেন, গাজায় বোমা হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে… ইহুদিবাদী শাসকের (ইসরােয়ল) কাছে তেল ও খাদ্য রফতানির পথ বন্ধ করা উচিত।

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্রও জড়িত বলে মন্তব্য করেন ইরানের সর্বোচ্চ এই নেতা। তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, গাজার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জাতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ব্রিটেন।

খামেনি আরও বলেন, পশ্চিমাদের নির্লজ্জ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আশতিয়ানিও ‘কিছু ইউরোপীয় দেশ, যারা ইসরায়েলকে সাহায্য করে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘মুসলিমদের রাগান্বিত না করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে’।

ইরান হামাসকে আর্থিক ও সামরিকভাবে সমর্থন করে। তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীটির হামলাকে ‘সফল’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। তবে হামলায় কোনোভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, ইরান ‘প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে সমর্থন করাকে তার কর্তব্য’ হিসেবে দেখে। তবে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করে বলেও তিনি জোর দিয়েছেন।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে আট হাজার ৭৮৬ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তিন হাজার ৬৪৮ জনই শিশু। এছাড়া নিহতদের মধ্যে দু’হাজার ২৯০ জন নারী আছে।

সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে এক হাজার ১২০জন শিশুসহ মোট দু’হাজার ৩০ জন। তারা সবাই নিখোঁজ রয়েছেন।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার ১৩০ প্যারামেডিক এবং মেডিকেল ক্রু নিহত হয়েছেন। সেখানে ২৮টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস হয়েছে এবং ২৭০টিরও বেশি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বিমান হামলা হয়।