• ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আরও ৩৭ হাজার টন কয়লা এলো পায়রায়

ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ১১, ২০২৩, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ
আরও ৩৭ হাজার টন কয়লা এলো পায়রায়
সংবাদটি শেয়ার করুন....

পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৩৭ হাজার ১৩৩ টন কয়লা নিয়ে এসেছে ‘এমভি সাগরকান্তা’ নামে একটি বিদেশি জাহাজ। সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী ওই জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার বালিকপানান বন্দর থেকে এসেছে।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সকালে এ জাহাজটি বন্দরের ইনারে আনা হয়েছে। বর্তমানে ওই জাহাজে চলছে লাইটারের মাধ্যমে কয়লা খালাস কার্যক্রম।

এর আগে সোমবার (১০ জুলাই) বিকালে এ জাহাজটি ৩৭ হাজার ১৩৩ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে বন্দরের আউটারেজে এসে পৌঁছায়। গত এক সপ্তাহ আগে ইন্দোনেশিয়ার বালিকপানান বন্দর থেকে এ জাহাজটি ছেড়ে আসে। ওই জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯৯ দশমিক ৯৮ ও প্রস্থ ৩২ দশমিক ২৬ মিটার।

পায়রা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে এ জাহাজটি বন্দরের ইনারে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে চলছে লাইটারের মাধ্যমে কয়লা খালাস কার্যক্রম। এখানে কয়লার পর কিছুটা কমিয়ে আগামীকাল বুধবার (১২ জুলাই) সকালে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে নিয়ে সরাসরি মাদার ভ্যাসেল থেকে বাকি কয়লা খালাস করা হবে। বন্ধ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার পর কয়লা নিয়ে আসা এটি পঞ্চম জাহাজ। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার পর মোট পাঁচটি জাহাজে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার মেট্রিকটন কয়লা আসে।

গত রোববার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩৭ হাজার ৬৫০ টন কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরের ইনারে আসে মার্শাল আয়ল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি ওয়াই এম সামিট’।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ বিনিয়োগে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। এটি চালাতে প্রয়োজনীয় কয়লা কিনতে ঋণ দিয়ে থাকে চীনা অংশীদার সিএমসি। ডলার সংকটের কারণে সময়মতো বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় সিএমসি কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল।

এতে চলতি বছরের ৫ জুন কয়লা সংকটে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ২০ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২৫ জুন ইন্দোনেশিয়া থেকে ৪১ হাজার টন কয়লা এলে তা দিয়ে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের সর্ববৃহৎ এ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালু করা হয়।