সর্বশেষ: তাহিরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন পালন নলছিটিতে প্রধানমন্ত্রীর ৭৪তম জন্মদিনে আলোচনা ও দোয়া প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা সম্পদ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা সম্পদ রাজাপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা বানারীপাড়ায় বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভা অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভা অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভা অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার সব 'শুভদিন' পিতার অবর্তমানে! পরিবারের আকুতি কিডনি রোগে আক্রান্ত হাওয়া মনিকে বাঁচাতে

শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করাল ছাত্ররা, ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশ: 14 September, 2020 10:29 : AM

বরিশালে এক শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। রোববার ফেসবুকে এ ভিডিও ভাইরাল হয়।

জানা গেছে, ঘটনাটি আগস্টে মাসের। ভিডিওতে ভাইরাল হওয়া শিক্ষক মিজানুর রহমান সজলের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের আয়লা গ্রামে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ছাত্রীকে বেশি নম্বর পাইয়ে দেয়ার প্রলোভনে অনৈতিক প্রস্তাব দেব না বলে-শপথ করেন সাবেক ওই শিক্ষক। এরপর তাকে কান ধরে ওঠ-বস করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভিডিওতে কয়েকজনের কণ্ঠ শোনা গেলেও কাউকে দেখা যায়নি। তবে বোরকা পরিহিত এক ছাত্রীকে দেখা গেলেও তার মুখমণ্ডল দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক মিজানুর রহমান সজল বলেন, বরিশালে জমজম ইনস্টিটিউটের রূপাতলী শাখায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। মেডিকেল টেকনোলজি কোর্সসহ স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পর্কিত নানা কোর্স ইনস্টিটিউটে পড়ানো হতো। তিনি ম্যাটস বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ২০১৮ সালে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। তবে করোনাকালে মার্চ মাসে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে অনলাইনে ৮-১০টি ক্লাস নেন। ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়।
এরমধ্যে মো. ইমন ও তার স্ত্রী মনিরা ছিল। তারা ক্লাস ফাঁকি ও লেখাপড়ায় অমনোযোগী ছিল। তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে বলা হয়। কিন্তু তারা কর্ণপাত না করে উল্টো পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাইয়ে দিতে নানা সময় তাদের বহিরাগত বন্ধুদের দিয়ে চাপ দিয়ে আসছিল।
এসব কারণে ২৬ আগস্ট নগরীর হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ইমন ও তার ৬-৭ জন বন্ধু তার পথরোধ করে। এরপর তারা তার (শিক্ষকের) মুঠোফোন ও মোটরসাকেলের চাবি কেড়ে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে তারা জোর করে অক্সফোর্ড মিশন রোড এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর মিজানকে সেখান থেকে গোরস্থান রোডে নিয়ে মারধর করেন তারা।
এ সময় ইমনের সঙ্গে ৬-৭ জন যুবক ছিল। একজনের হাতে লাঠি ছিল। তাদের কিল-ঘুষিতে মিজানের নাক ফেটে যায়। মারধরের একপর্যায়ে ইমন তাকে কান ধরে ওঠ-বস করায়। এরপর ইমন তাকে কিছু কথা বলতে বাধ্য করে। সেগুলো একজন মুঠোফোনে ধারণ করে।
ওই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুল হক বলেন, এ ঘটনার পর তাকে পরবর্তী ক্লাস নেয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।