সর্বশেষ: আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবাদপত্র সবচেয়ে বেশি স্বাধীন পেয়েছে ।-এমপি শাওন সাতক্ষীরার বৈকারী সীমান্ত থেকে ১ কেজি ৫৭০ গ্রাম ওজনের ১০ পিস স্বর্ণের বারসহ আটক -১ সাতক্ষীরার বৈকারী সীমান্ত থেকে ১ কেজি ৫৭০ গ্রাম ওজনের ১০ পিস স্বর্ণের বারসহ আটক -১ আশাশুনিতে যৌতুকের দাবীতে স্বামীর হাতে স্ত্রী জখম আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ইউএনও'র ধান্যহাটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন আশাশুনিতে ইউএনও'র ধান্যহাটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন আশাশুনিতে ইউএনও'র ধান্যহাটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন লালমনিরহাটে পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু লালমনিরহাটে পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

শ্রেণিকক্ষে মুরগি খামার, খেলার মাঠে সবজি চাষ!

প্রকাশ: 26 August, 2020 11:41 : AM

করোনা মাহামারিতে প্রভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অর্থনেতিক সংকটে পড়েছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো। এমন সংকট কাটিয়ে উঠতে কেনিয়ার একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে মুরগির খামার পালনের খবর পাওয়া গেছে। সেখানকার আরেকটি শ্রেণিকক্ষে মুরগি পালনের পাশাপাশি শিশুদের খেলার মাঠে সবজি চাষও শুরু করেছে।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই নাজুক পরিস্থিতিতে মুইয়া ব্রেথ্রেন স্কুল নামের একটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মুরগি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। যে শ্রেণিকক্ষ একসময় মুখর ছিল শিশু-কিশোরদের কলতানে, এখন সেখানে গেলে মুরগির ডাক শোনা যাবে। শ্রেণিকক্ষের যে বোর্ডে একসময় গণিতের সূত্র লেখা ছিল, সেখানে এখন দেখা যাবে মুরগির টিকা দেওয়ার সূচি।

স্কুলটির মালিক জোসেফ মেইনা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি বলেন, গত মার্চে যখন দেশের সব বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হলো। ব্যাংকের ঋণ তখনো শোধ হয়নি। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, টিকে থাকতে কিছু একটা করতেই হবে। এই একটা কিছু করার তাগিদ থেকেই মুরগি পালনের সিদ্ধান্ত নেই।

ওই স্কুলটির কাছে রোকা প্রিপারেটরি নামের আরেকটি বিদ্যালয় মুরগি পালনের পাশাপাশি খেলার মাঠে সবজি চাষও শুরু করেছে। স্থানীয় জেমস কুঙ্গু ২৩ বছর আগে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি জানান, তাঁর বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে চাষ করা সবজি এখন বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছে। মুরগি পালন থেকেও আয় হচ্ছে।

করোনা মোকাবিলায় গত মার্চ মাসে সব বিদ্যালয় বন্ধ করে দেয় পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়া। কেনিয়ার বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর সংগঠন কেপিএসএর তথ্যমতে, দেশটির মোট শিশুশিক্ষার্থীর এক-পঞ্চমাংশই পড়ে বেসরকারি বিদ্যালয়ে। শিক্ষার্থী না থাকায় এসব বিদ্যালয়ের বেশির ভাগেরই আয়ও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বন্ধ রয়েছে তাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও। ১৩৩টি বিদ্যালয় তো স্থায়ীভাবেই বন্ধ হয়ে গেছে। যে কটি বিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস নিয়ে টিকে আছে, তারাও শিক্ষকদের মোট বেতনের একাংশ দিতে পারছে।