সর্বশেষ: কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার ঋণ বিতরণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সোনালী ব্যাংক বরিশালের জিএম ঝালকাঠিতে মাক্স বিতরন করলো রোটারী ক্লাব ঝালকাঠিতে নাগরিক অ্যাডভোকেসি ফোরামের কমিটি গঠন হিমু সভাপতি, রিজভী সম্পাদক মহান বিজয় দিবস উদযাপনে নলছিটিতে প্রস্তুতিমুলক সভা ফকরুল মজিদ মাহমুদ কিরনের জন্মদিনে রিজভীর শুভেচ্ছা আশাশুনিতে ভূমিহীন গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনমুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা গৃহহীন থাকবে না শরনখোলার লোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত। দুধ কেনার পয়সা নেই মিসরির পানি খেয়ে বেঁচে মা হারা শিশু ঈশান নলছিটির ভারপ্রাপ্ত ইউএনও করোনায় আক্রান্ত ঝালকাঠি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ইলিয়াস বেপারীর জন্মদিন আজ

বাসার দুই কিলোমিটারের বেশি দূরের শপিংমলে যাওয়া নিষেধ

প্রকাশ: 7 May, 2020 4:29 : PM

করোনাকালীন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন এলাকাসমূহে শপিংমল ও মার্কেট খোলা রাখার ব্যাপারে ১৪ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ডিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে নিজ বাসার দুই কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের শপিংমলে যেতে পারবেন না কেউ।
এছাড়া মলের প্রবেশমুখে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেল বা চেম্বার স্থাপনের পাশাপাশি তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রত্যেক দোকানে পৃথকভাবে তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে ক্রেতাদেরও স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে।
ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হল-
১. সরকার ঘোষিত নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকান খোলা রাখা যাবে। তবে ফুটপাতে বা প্রকাশ্য স্থানে হকার/ফেরিওয়ালা/অস্থায়ী দোকানপাট বসতে দেয়া যাবে না।
২. করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ক্রেতাগণ তাঁদের নিজ নিজ এলাকার ২ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত শপিংমল সমূহে ঘোষিত সময়ের মধ্যে কেনা-কাটা করতে পারবেন। এক এলাকার ক্রেতা অন্য এলাকায় অবস্থিত শপিংমলে কেনাকাটা বা গমনাগমন করতে পারবেন না।

৩. বসবাসের এলাকা সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য প্রত্যেক ক্রেতা তার নিজ নিজ পরিচয়পত্র (যেমন: ব্যক্তিগত আইডি কার্ড/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিলের মূল কপি ইত্যাদি) বহন করবেন এবং তা প্রবেশমুখে প্রদর্শন করবেন।
৪. প্রত্যেক শপিংমলের প্রবেশমুখে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক টানেল বা চেম্বার স্থাপন করতে হবে এবং তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়াও প্রত্যেক দোকানে পৃথকভাবে তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৫. প্রতিটি শপিং মলে প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করতে হবে। মাস্ক পরিধান ব্যতীত কোন ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করতে পারবেনা। সকল বিক্রেতা ও দোকান কর্মচারীকে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস্ পরিধান করতে হবে।
৬. প্রতিটি শপিংমল/বিপণি বিতানের সামনে সতর্কবাণী “স্বাস্থ্য বিধি না মানলে, মৃত্যু ঝুঁকি আছে” সম্বলিত ব্যানার টানাতে হবে।
৭. প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশ, বাহির ও কেনাকাটার সময় ক্রেতা-বিক্রেতাকে কমপক্ষে ১ মিটার (প্রায় ৪০ ইঞ্চি) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে দোকানে যতজন ক্রেতা অবস্থান করতে পারেন তার বেশি ক্রেতাকে প্রবেশ করতে দেয়া যাবেনা।
৮. সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য প্রত্যেক দোকানের সামনে দূরত্ব মেপে মার্কিং করতে হবে।
৯. শপিংমল গুলোতে বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের (হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য) গমনাগমনে নিরুৎসাহিত করতে হবে।
১০. কেনা-কাটা শেষে মার্কেটে অযথা জটলা বা ভিড় সৃষ্টি করা যাবে না। যাদের কেনাকাটা শেষ হয়ে যাবে মার্কেট কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে তাদের বের করে দেয়ার ব্যবস্থা করবেন।
১১. শপিংমল গুলোতে প্রবেশ ও বাহিরের আলাদা পথ নির্ধারণ করে দিতে হবে।
১২. যারা মাস্ক না পড়ে আসবে তারা মার্কেট থেকে কিনে নিবে অন্যথায় যাতে মার্কেটে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৩. প্রত্যেক শপিংমলের পার্কিং লটে গাড়ী জীবাণুমুক্ত করণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এছাড়াও ড্রাইভাররা যাতে একত্রিত হয়ে আড্ডা না দেয় এবং নিজ নিজ গাড়ীতে অবস্থান করে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
১৪. শপিংমল গুলোতে যাতায়াতের জন্য সীমিত পরিসরে সাধারণ রিকশা ও সিএনজি চালু থাকবে। তবে সিএনজি-তে ২(দুই) জনের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনে নিরুৎসাহিত করা হলো। প্রতিটি যাত্রী এবং চালক মাস্ক পরিধান করবেন।
উল্লিখিত বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে বলেও জানানো হয়।